আমাদের কথা
মিরপুর দাখিল মাদ্রসা অত্যান্ত সুনামের সহিত জ্ঞানের আলো বিতরন করে যাচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানটি দক্ষ শিক্ষক/ শিক্ষিকা দ্বারা পরিচালিত।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
বিংশ শতাব্দী তদানিন্তন গভর্ণমেন্ট অব আসামের অধীনন্থ হবিগঞ্জ মহকুমার অন্তর্গত বাহুবলের মিরপুর তথা হবিগঞ্জবাসী সেই সময় শিক্ষার আলো হতে বঞ্চিত ছিল। আরবী, বাংলা,ও ইংরেজী একত্রে শিক্ষার গ্রহণ করার কোন উপায় অত্র মাদরাসায় ছিল না। ঠিক সেই সময় বাহুবল থানার দৌলতপুর গ্রামের তৎকালিন জমিদার মরহুম রফিক উদ্দ্নি আহমদ চেীধুরী সাহেব ( প্রাক্তন এমপি) ১৯২০ ইংরেজী সনে উনারই প্রতিষ্ঠিত মিরপুর বাজারে ৯১ শতক জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত মিরপুর জামেয়া হোসাইনিয়া মাদারাসার পাশে উক্ত মিরপুর দাখিল মাধ্যমিক মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। যাহা ১৯২৬ ইংরেজী সনে তৎকালিন ব্রিটিশ সরকারের অনুমোদন লাভ করে এবং চৌধুরী সাহেবকে একটি সম্মননা সার্টিফিকেট প্রদান করে। পরবর্তীতে উভয় মাদ্রাসার সুবিধার্থে ১২/০২/১৯৮৫ ইংরেজী সনে উনার জৈষ্ঠ্য পুত্র মরহুম রকিবউদ্দিন আহমদ চৌধুরী সাহেব তৎকালিন কওমী মাদ্রাসা ও উক্ত দাখিল মাদ্রসার সভাপতি ছিলেন। উনাদের ওয়াকস্টেটের নিজস্ব ৩৮ শতক ভূমিতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বর্তমান মিরপুর দাখিল মাদ্রাসাটি স্থানান্তর করেন। এবং উনার ছোট ভাই মরহুম আলহাজ্ব আরিফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সাহেব মাদ্রাসার সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে মাদ্রসার অনেক উন্নয়ন সাধন করেন। উনাদের পিতা মরহুম আলহাজ্ব রফিকউদ্দিন আহমদ চৌধুরী সাহেব (প্রাক্তন এমপি) সবসময় বলতেন “সদকায়ে জারিয়া কেউ জানবে না, কারো নাম থাকবে না” । তাই অত্র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতার নামে নামকরণ করা হয় নাই। পরবর্তীতে ১৯৪৪ ইংরেজী সনে সামছুন্নেছা্ চৌধুরানী নামে একটি ওয়াকফ স্টেট (ওয়াকফে আওলাদ) গঠন করেন। আজ ও সামছুন্নেছা চৌধুরানী নামে ওয়াকফ স্টেটের অন্তর্ভূক্ত মিরপুর দাখিল মাদ্রসা অত্যান্ত সুনামের সহিত জ্ঞানের আলো বিতরন করে যাচ্ছে। যাহার কল্যানে অত্র এলাকার সাধারণ শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয়ে যোগ্য নাগরিক তৈরীর প্রাণ কেন্দ্র হিসাবে মিরপুর দাখিল মাদ্রাসা মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে।
পরিশেষে দৌলতপুরের চৌধুরী পরিবারের উদ্যোগে এই মহান খেদমত সদকায়ে জারিয়া হিসাবে আল্লাহ পাক যেন কবুল করেন। আমীন।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি স্মার্ট নাগরিগ গড়ে তোলা।